বুধবার, ১২ মে ২০২১, ২৯শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩০শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি

হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে যা করতে হবে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ জুলাই, ২০১৮
  • ২৮০ বার পঠিত

আগামী ১৪ জুলাই হজ ফ্লাইট শুরু হবে। হজের ফ্লাইট চালুর সঙ্গে সঙ্গে কিছু মানুষের হজে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা ও প্রতারণার সংবাদ পাওয়া যায়। বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়। তবে সরকার এবার প্রশিক্ষণসহ হজ ক্যালেন্ডার চালু করেছে। এটা সরকারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এবার বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যাবেন। এর মধ্যে ৬ হাজার ৭৯৮ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় আর বাকি ১ লাখ ২০ হাজার হজযাত্রী ৫২৮টি এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালন করতে যাবেন। বেশ কয়েকবার হজ করার সুবাদে দেখেছি, হজযাত্রীরা সচেতন থাকলে সমস্যা থাকে না। কয়েকটি বিষয়ে নজর দিলে হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও ভালো করা সম্ভব:

 

মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য

হজযাত্রীরা হজে যাওয়ার জন্য সরাসরি এজেন্সির কাছে না গিয়ে শহর বা গ্রামের মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, ধর্মীয় শিক্ষক অথবা আগে যিনি হজ করেছেন এমন লোকের কাছে যান। তাঁরা এভাবে হজযাত্রী জোগাড় করে এজেন্সিগুলোর সঙ্গে দেনদরবার বা দরদাম করেন। এতে হজযাত্রীর এবং এজেন্সির মধ্যে এসব মধ্যস্বত্বভোগীর করা প্রতিশ্রুতি নিয়ে বিতর্ক হয়। হজযাত্রী সচেতন হয়ে সরাসরি এজেন্সির সঙ্গে লেনদেন করলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমে যাবে। এ জন্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় শহর-গ্রামের প্রতিটি মসজিদে নিয়মিতভাবে সচেতনতামূলক প্রচারণার উদ্যোগ নিতে পারে।

 

সেবা সহজ ও অধিকার নিশ্চিত করা

২০১৬ সালে ই-হজ রেজিস্ট্রেশনে জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্যভান্ডার সংযুক্তির ফলে ভুয়া নামে নিবন্ধন বন্ধ হলেও পাসপোর্টের তথ্যভান্ডার যুক্ত না থাকায় অনেক হজযাত্রীর ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া যায়। তা ছাড়া আমাদের দেশের একজন হজযাত্রী তাঁর অধিকার অর্থাৎ সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়ে কী কী সুবিধা পাবেন তা তিনি জানেন না, প্রতারিত হলে কী করবেন বা হজযাত্রীর অভিযোগ আদৌ প্রতিকার করা হয় কি না তা বেশির ভাগ হজযাত্রী জানেন না। ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি অনেকটা দুর্বল।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 UnmuktoBarta
Theme Developed BY ThemesBazar.Com